Connect With Us


Breaking News

Recent Posts

Recents

Flickr

Random Posts

Tuesday, 5 January 2016

আসুন জানি ভূমিকম্পের তীব্রতা কীভাবে মাপা হয়?

ভূমিকম্প হলেই তার তীব্রতা বোঝার জন্য সবাই ভূমিকম্পের মাত্রা সম্পর্কে জানতে চান। কিন্তু এই মাত্রা কীভাবে নির্ধারণ করা হয়? যুক্তরাজ্যের সংবাদ মাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মূলত ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট কম্পন বা কম্পনের ঢেউ রেকর্ড করা হয় সিসমোমিটার দিয়ে। ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট কম্পনের মাত্রা দিয়ে যে রেখাচিত্র তৈরি করা হয়, তাকে বলা হয় সিসমোগ্রাফ।
ভূমিকম্পের সময় যে সিসমিক ঢেউ তৈরি হয়, সেগুলো বিশ্বজুড়েই কম বা বেশি মাত্রায় প্রবাহিত হয়। পৃথিবীর যে কোনো স্থানে মাটির নিচের কম্পন সৃষ্টি হলে তা সিসমোগ্রাফে মাপা হয়। সিসমোগ্রাফ স্টেশনে রেকর্ড হওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল, সময়কাল ও স্থায়িত্বকাল নির্ধারণ করা হয়।
ভূমিকম্পের মাত্রা নির্ধারণের জন্য বিশ্বজুড়ে বহুল ব্যবহৃত স্কেলের নাম রিখটার স্কেল। সিসমোগ্রাফ থেকে পাওয়া তথ্য এবং রেখাচিত্র বিশ্লেষণ করে গাণিতিকভাবে ভূমিকম্পকে মাপা হয় রিখটার স্কেলের মাধ্যমে। রিখটার স্কেলে ০ থেকে ১০ মাত্রা পর্যন্ত মাপা যায় ভূমিকম্পের তীব্রতাকে।
সিসমোমিটারে রেকর্ড হওয়া ভূকম্পনের বিস্তার, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল থেকে সিসমোমিটারের দূরত্ব বিবেচনা করে ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপা হয়। সেই সঙ্গে যোগ করা হয় ভূমিকম্পের স্থায়িত্ব। এসব মিলিয়ে রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপা হয়।
বিবিসির এক প্রতিবেদনে ভূমিকম্পের বিভিন্ন মাত্রা সম্পর্কে বলা হয়েছে, রিখটার স্কেলের ১ এবং ২ মাত্রার ভূমিকম্প প্রায় সময়ই হতে পারে। এবং এটা খুব স্বাভাবিকভাবেই ঘটে কিন্তু মানুষ টের পায় না। যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোর মতো জায়গায় প্রায় প্রতিদিনই ১ থেকে ২ মাত্রার ভূকম্পন হওয়া খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। তবে এসব ভূমিকম্পের মাত্রা এতটাই হালকা যে তা অনুভূত হয় না তবে সিসমোমিটারে তা ধরা পড়ে।
রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা যদি ৭ কিংবা ৮ হয় তবে সেটা প্রাণঘাতী ভূমিকম্প হয়। এই মাত্রার ভূমিকম্পগুলো তীব্রভাবে অনুভূত হয় এবং এতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও বেশি হয়।
রিখটার স্কেলের উদ্ভাবক চার্লস এফ রিখটার। ১৯৩৫ সালে মার্কিন এই ভূকম্পবিদ এবং পদার্থবিদ ভূমিকম্প পরিমাপের স্কেল তৈরি করেন। তাঁর নামেই এর নাম রাখা হয় রিখটার স্কেল। রিখটার তখন ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে কর্মরত ছিলেন।
রিখটার স্কেল ছাড়াও ভূমিকম্প মাপার জন্য অন্যান্য অনেক পদ্ধতি রয়েছে। তবে বিশ্বজুড়ে রিখটার স্কেলই ভূমিকম্পের পরিমাপক হিসেবে সবচেয়ে বেশি প্রচলিত।
Read more ...
গ্রামীণফোন ইন্টারনেট ডাটা বোনাস অফার!
৩০০এমবি ইন্টারনেট মেয়াদ ৭ দিন ৪৫ টাকা ডায়াল
*৫০০০*১৫০#

*121*1*2#
ডায়াল করে গ্রাহকগণ অবশিষ্ট ভলিউম চেক
করতে পারবেন
_______________________________________________________
৬৫০এমবি ইন্টারনেট মেয়াদ ২৮ দিন ৯৯ টাকায় পেতে
ডায়াল
*৫০০০*১৫১#
*121*1*2# 
ডায়াল করে গ্রাহকগণ অবশিষ্ট ভলিউম চেক
করতে পারবেন
_______________________________________________________
৬০এমবি ইন্টারনেট মেয়াদ ২ দিন ৯ টাকায় প্যাকটি
অ্যাক্টিভেট করতে ডায়াল
*৫০০০*১১৮#

ভলিউম ব্যালেন্স জানতে ডায়াল
*৫৬৬*১১#

_______________________________________________________
১০০ এমবি ইন্টারনেট মেয়াদ ২ দিন ১৫ টাকা ডায়াল
*৫০০০*১১০#

ভলিউম ব্যালেন্স জানতে ডায়াল
*৫৬৬*১১#

_______________________________________________________
৫০০এমবি ইন্টারনেট মেয়াদ ৭ দিন ৭৯ টাকা ডায়াল[
*৫০০০*১১৫#

*৫৬৬*১৩#

ডায়াল করে গ্রাহকগণ অবশিষ্ট ভলিউম চেক
করতে পারবেন
_______________________________________________________
১ জিবি ইন্টারনেট মেয়াদ ১৪ দিন ১৫০ টাকায় পেতে
ডায়াল
*৫০০০*১০৯#

*৫৬৬*১৬# 
ডায়াল করে গ্রাহকগণ অবশিষ্ট ভলিউম চেক
করতে পারবেন
_______________________________________________________
-শুধুমাত্র গ্রামীণফোন প্রিপেইড গ্রাহকগণের জন্য
প্রযোজ্য
-মূল্যের উপর ৩% সম্পূরক শুল্ক এবং সম্পূরক শুল্কসহ
মূল্যের উপর ১৫% ভ্যাট প্রযোজ্য
-ইন্টারনেট ভলিউম শেষ হবার পর ০.০১ টাকা/10KB
হারে চার্জ প্রযোজ্য হবে (মেয়াদ থাকা পর্যন্ত)
-অটো রিনিউয়াল ফিচার প্রযোজ্য নয়
-আর deactivate করতে SMS করো “STOP” 5000 নম্বর এ।
-গ্রাহক সেবা সম্পর্কে জানতে ডায়াল ১২১
_______________________________________________________

Read more ...
Designed By Blogger Templates